CLASS IX

নবম শ্রেণির ভূগোল অষ্টম অধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ | সম্পূর্ণ রিভিশন নোটস ও সাজেশন

প্রিয় ছাত্রছাত্রীরা WebBhugol এ তোমাদের স্বাগতম। আজ আমরা আলোচনা করব নবম শ্রেণির ভূগোল অষ্টম অধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের নির্ধারিত সিলেবাস অনুযায়ী এই পোস্টটি তৈরি করা হয়েছে। এই পশ্চিমবঙ্গ অধ্যায় থেকে প্রতিবছর MCQ, SAQ, ৩ নম্বর ও ৫ নম্বরের প্রশ্ন পরীক্ষায় এসেই থাকে সেই কথা মাথায় রেখে এ সম্পূর্ণ রিভিশন নোট টি তৈরি করা হলো। তোমরা এই নোটটি ভালোভাবে পড়লে পরীক্ষায় যে ধরনের প্রশ্ন আসে সেগুলোর উত্তর খুব সহজেই করতে পারবে। এ পোস্টিতে আলোচনা করা হয়েছে-

  • পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ পরিচিতি
  • পশ্চিমবঙ্গের প্রাকৃতিক ভূগোল যেমন- ভূপ্রকৃতি, নদ নদী, জলবায়ু, মৃত্তিকা
  • পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক ভূগোল যেমন- কৃষি, শিল্প, পরিবহন
  • পরীক্ষার জন্য সাজেশন

আমার আট বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা ক কাজে লাগিয়ে এ পোস্টটি তৈরি করা হল, তো চলো শুরু করা যাক।

পশ্চিমবঙ্গ অধ্যায়ের সমস্ত MCQ, সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর পড়ুন

Table of Contents

📌 ৩০ সেকেন্ডে পশ্চিমবঙ্গ রিভিশন

🔹 সর্বোচ্চ শৃঙ্গ → সান্দাকফু
🔹 বাংলার দুঃখ → দামোদর
🔹 ত্রাসের নদী → তিস্তা
🔹 ধানের গোলা → পূর্ব বর্ধমান
🔹 সোনালি তন্তু → পাট
🔹 রাজধানী → কলকাতা
🔹 প্রধান নদী → গঙ্গা
🔹 বৃহত্তম জেলা → দক্ষিণ ২৪ পরগনা
🔹 ক্ষুদ্রতম জেলা → কলকাতা
🔹 ম্যানগ্রোভ অরণ্য → সুন্দরবন


ভারতবর্ষ স্বাধীন হওয়ার সময় ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট অবিভক্ত বাংলার পশ্চিমাংশ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যটি গঠিত হয়। ভারতের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত এই রাজ্যটি বৈচিত্র্যময় ভূপ্রকৃতি এবং সমৃদ্ধ কৃষিজ ও খনিজ সম্পদে পরিপূর্ণ। আয়তনের দিক থেকে এটি ভারতের ১৪তম রাজ্য (আয়তন: ৮৮,৭৫২ বর্গকিমি) এবং এর রাজধানী হলো কলকাতা। রাজ্যের ঠিক মাঝবরাবর কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩½° উত্তর অক্ষাংশ) প্রসারিত হয়েছে, যা জলবায়ুর ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।

২. পশ্চিমবঙ্গের অবস্থান ও সীমানা

এখানে তোমরা জানতে পারবে পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ পরিচিতি অবস্থান ও সীমানা। চলো এক নজরে দেখে নেওয়া যাক।

  • অবস্থান: পশ্দচিমবঙ্গ ক্ষিণে ২১°৩০’ উত্তর থেকে উত্তরে ২৭°১০’ উত্তর অক্ষাংশ এবং পশ্চিমে ৮৫°৫০’ পূর্ব থেকে পূর্বে ৮৯°৫০’ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যে অবস্থিত।
  • প্রতিবেশী দেশ (৩টি): পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব দিকে বাংলাদেশ (সবচেয়ে দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমানা), উত্তরে ভুটান এবং উত্তর-পশ্চিমে নেপাল অবস্থিত।
  • প্রতিবেশী রাজ্য (৫টি): পশ্চিমে ঝাড়খণ্ড (সর্বাধিক দীর্ঘ রাজ্য সীমানা) ও বিহার, দক্ষিণ-পশ্চিমে ওড়িশা, উত্তরে সিকিম এবং উত্তর-পূর্বে অসম রয়েছে।
  • চিকেনস নেক (Chicken’s Neck): উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় রাজ্যের বিস্তার সবচেয়ে কম (মাত্র ৯ কিমি), একেই ‘চিকেনস নেক’ বা ‘শিলিগুড়ি করিডর’ বলা হয়। ( পরীক্ষায় প্রায় এসে থাকে)

📚 পশ্চিমবঙ্গ অধ্যায়ের MCQ, ২ নম্বর, ৫ নম্বর প্রশ্নোত্তর ও Interactive Quiz অনুশীলন করতে দেখুন

৩. পশ্চিমবঙ্গের ভূপ্রকৃতি (সংক্ষেপে)

ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে পশ্চিমবঙ্গকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়:

  • উত্তরের পার্বত্য অঞ্চল: এটি দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় অবস্থিত। এখানকার প্রধান পর্বতশ্রেণি হলো সিঙ্গললিলা ও দার্জিলিং। সিঙ্গললিলা পর্বতশ্রেণির সান্দাকফু (৩৬৩০ মিটার) হলো পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ। (Geography Gk এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ)
  • পশ্চিমের মালভূমি অঞ্চল: পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর ও বীরভূমের পশ্চিমাংশ নিয়ে প্রাচীন শিলা দ্বারা এই অঞ্চল গঠিত। এখানকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলো অযোধ্যা পাহাড়ের গোরগাবুরু (৬৭৭ মিটার)। ( পশ্চিমবঙ্গের মালভূমি অঞ্চলের অঞ্চলের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি ? এই প্রশ্নটি প্রায়ই পরীক্ষায় এসে থাকে)
  • সমভূমি অঞ্চল: এই অঞ্চলটি রাজ্যের সর্বাধিক অংশ জুড়ে বিস্তৃত। এর মধ্যে উত্তরের তরাই ও ডুয়ার্স সমভূমি, রাঢ় অঞ্চল এবং দক্ষিণের গঙ্গার ব-দ্বীপ ও সুন্দরবন অঞ্চল উল্লেখযোগ্য।
পশ্চিমবঙ্গের ভূ-প্রকৃতি মানচিত্র যেখানে উত্তরের হিমালয় পার্বত্য অঞ্চল, তরাই-ডুয়ার্স, উত্তর সমভূমি, রাঢ় সমভূমি, গাঙ্গেয় সমভূমি এবং সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চল রঙের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের প্রধান ভূ-প্রাকৃতিক বিভাগসমূহের বিস্তার নির্দেশক শিক্ষামূলক মানচিত্র।

৪.পশ্চিমবঙ্গের নদনদী (Rivers)

পশ্চিমবঙ্গ হল একটি নদীমাতৃক রাজ্য।

  • প্রধান নদী: এই রাজ্যের প্রধান নদী গঙ্গা (রাজ্যে এর দৈর্ঘ্য ৫২০ কিমি), যা মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানের কাছে দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে একটি পদ্মা নামে বাংলাদেশে এবং অপরটি ভাগীরথী-হুগলি নামে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে।
  • উত্তরের নদনদী: তিস্তা, তোর্সা, জলঢাকা, মহানন্দা। এরা বরফগলা জলে পুষ্ট তাই চিরপ্রবাহী। হঠাৎ বন্যার কারণে তিস্তা-কে ‘ত্রাসের নদী’ বলা হয়। (পরীক্ষার জন্য মনে রাখো)
  • মালভূমির নদনদী: দামোদর, অজয়, কংসাবতী, সুবর্ণরেখা। বর্ষাকালে প্রবল বন্যার কারণে দামোদর-কে ‘বাংলার দুঃখ’ বলা হতো। ( অনিত্যবহ ও দামোদর নদী বিষয়ক MCQ জন্য গুরুত্বপূর্ণ)
  • দক্ষিণের নদনদী: বিদ্যাধরী, মাতলা, গোসাবা ইত্যাদি, যেগুলি মূলত জোয়ারের জলে পুষ্ট এবং লবণাক্ত।

৫. জলবায়ু (Climate of WB)

পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু মূলত উষ্ণ ও আর্দ্র ক্রান্তীয় মৌসুমি প্রকৃতির।

  • বৈশিষ্ট্য: গ্রীষ্মকাল উষ্ণ ও আর্দ্র এবং শীতকাল শুষ্ক।
  • কালবৈশাখী ও লু: গ্রীষ্মকালে বিকেলে বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়বৃষ্টিকে ‘কালবৈশাখী’ বলে এবং পশ্চিমাংশে শুষ্ক গরম হাওয়া ‘লু’ প্রবাহিত হয়।
  • আশ্বিনের ঝড়: শরৎকালে মৌসুমি বায়ুর প্রত্যাবর্তনের সময় বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়কে ‘আশ্বিনের ঝড়’ বলে।

৬. মৃত্তিকা (Soil of West Bengal)

  • পডজল মাটি: পার্বত্য অঞ্চলে দেখা যায় (দার্জিলিং), যা চা চাষের জন্য উপযোগী। সরলবর্গীয় অরণ্য অঞ্চলে দেখা যায়।
  • ল্যাটেরাইট মাটি: পশ্চিমের মালভূমি অঞ্চলে লাল রঙের কাঁকরযুক্ত এই মাটি দেখা যায়, যা কৃষিকাজের জন্য অনুর্বর।
  • পলি মাটি: সমভূমি অঞ্চলের সবচেয়ে উর্বর মাটি। প্রাচীন পলিমাটিকে ভাঙর এবং নবীন পলিমাটিকে খাদার বলে। এটি ধান ও পাট চাষের জন্য আদর্শ। (খাদার, ভাঙর ভালো করে পড়বে)
  • লবণাক্ত মাটি: সুন্দরবন অঞ্চলে দেখা যায়, এখানে শ্বাসমূল (Pneumatophore) ও ঠেসমূল যুক্ত ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ জন্মায়।
পশ্চিমবঙ্গের মৃত্তিকা মানচিত্র যেখানে পার্বত্য অঞ্চলের পডজল মৃত্তিকা, তরাই অঞ্চলের মৃত্তিকা, মালভূমি অঞ্চলের ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা, সমভূমির পলিমাটি এবং উপকূলীয় লবণাক্ত মৃত্তিকার বিস্তার দেখানো হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন মৃত্তিকা অঞ্চল ও তাদের ভৌগোলিক বিস্তারের শিক্ষামূলক মানচিত্র।

৭. পশ্চিমবঙ্গের কৃষি (Agriculture)

আমাদের পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি মূলত কৃষি উপর নির্ভর।

  • ধান: ধান উৎপাদনে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের মধ্যে অন্যতম। বর্ধমান জেলাকে ‘ধানের গোলা’ বলা হয়। প্রধানত আউস, আমন ও বোরো ধানের চাষ হয়।
  • পাট: একটি অন্যতম বাণিজ্যিক ফসল যাকে ‘সোনালি তন্তু’ (Golden Fibre) বলা হয়। হুগলি নদীর দুই তীরে পাট চাষ সবচেয়ে ভালো হয়।
  • চা: দার্জিলিং-এর চা স্বাদ ও সুগন্ধে বিশ্ববিখ্যাত। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাগিচা ফসল।

এটি MCQ ও SAQ এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ

৮. শিল্প (Industry)

  • লৌহ-ইস্পাত শিল্প: দুর্গাপুর, কুলটি, বার্নপুর। উন্নত লৌহ-ইস্পাত শিল্পের জন্য দুর্গাপুরকে ‘ভারতের রূঢ়’ বলা হয়। (দূর্গাপুরকে ভারতের রূঢ় বলা হয় কেন? এটি পরীক্ষায় এসে থাকে)
  • পাট শিল্প: ১৮৫৫ সালে হুগলির রিষড়ায় ভারতের প্রথম আধুনিক পাটকল স্থাপিত হয়।
  • কার্পাস বয়ন শিল্প: ১৮১৮ সালে হাওড়ার ঘুষুড়িতে ভারতের প্রথম সুতোকল গড়ে ওঠে।
  • তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প (IT): কলকাতার সল্টলেক (Sector-V) এবং রাজারহাট হলো রাজ্যের সর্ববৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের কেন্দ্র।

৯. পরিবহন

  • বন্দর: বাণিজ্য ও পরিবহনে বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম। কলকাতা বন্দর হলো ভারতের একটি অন্যতম প্রধান নদী-বন্দর (Riverine Port)।
  • হলদিয়া বন্দর: কলকাতা বন্দরের নাব্যতা হ্রাস ও ভিড় কমানোর জন্য হুগলি ও হলদি নদীর সংযোগস্থলে হলদিয়া পরিপূরক বন্দর (Subsidiary Port) গড়ে উঠেছে।

১০. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • বৃহত্তম জেলা: দক্ষিণ ২৪ পরগণা।
  • ক্ষুদ্রতম জেলা: কলকাতা।
  • সর্বোচ্চ স্থান: দার্জিলিং-এর সান্দাকফু (৩৬৩০ মি.)।
  • ম্যানগ্রোভ অরণ্য: সুন্দরবন হলো বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য, যা ১৯৮৭ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের মর্যাদা পায়।
পশ্চিমবঙ্গের বন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিষয়ক ইনফোগ্রাফিক যেখানে কলকাতা বন্দর, হলদিয়া বন্দর, বৃহত্তম জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগণা, ক্ষুদ্রতম জেলা কলকাতা, সান্দাকফু এবং সুন্দরবনের তথ্য দেখানো হয়েছে।
কলকাতা বন্দর, হলদিয়া বন্দর, সান্দাকফু, সুন্দরবন এবং পশ্চিমবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক তথ্যের শিক্ষামূলক ইনফোগ্রাফিক।

১১. পরীক্ষার জন্য সম্ভাব্য প্রশ্ন ও সাজেশন (Important Questions) (1 Mark)

  1. প্রশ্ন: পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম কী? উত্তর: সান্দাকফু (৩৬৩০ মি.)।
  2. প্রশ্ন: ‘বাংলার দুঃখ’ কোন নদীকে বলা হয়? উত্তর: দামোদর নদকে।
  3. প্রশ্ন: ত্রাসের নদী কাকে বলা হয়? উত্তর: তিস্তা নদীকে।
  4. প্রশ্ন: কোন জেলাকে ‘ধানের গোলা’ বলা হয়? উত্তর: বর্ধমান (বর্তমানে পূর্ব বর্ধমান)।
  5. প্রশ্ন: ‘ভারতের রূঢ়’ কাকে বলে? উত্তর: দুর্গাপুরকে।
  6. প্রশ্ন: সোনালি তন্তু কাকে বলা হয়? উত্তর: পাটকে।

👉 পশ্চিমবঙ্গ অধ্যায়ের ৫০+ MCQ প্রশ্নোত্তর ও মক টেস্ট

১২.📚 পরীক্ষার জন্য শেষ মুহূর্তের revision notes

  • সীমানা: ৩টি দেশ (বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান) এবং ৫টি রাজ্য (ঝাড়খণ্ড, বিহার, ওড়িশা, অসম, সিকিম)।
  • পাহাড় ও শৃঙ্গ: সিঙ্গললিলার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ সান্দাকফু এবং মালভূমি অঞ্চলের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ গোরগাবুরু (অযোধ্যা পাহাড়)।
  • কৃষি ও মাটি: পার্বত্য অঞ্চলে পডজল মাটি (চা চাষ), মালভূমিতে ল্যাটেরাইট মাটি (অনুর্বর), সমভূমিতে পলিমাটি (ধান, পাট চাষ) এবং সুন্দরবনে লবণাক্ত মাটি (ম্যানগ্রোভ)।
  • শিল্পকেন্দ্র: দুর্গাপুর (লৌহ-ইস্পাত), রিশড়া (পাট), সল্টলেক (তথ্যপ্রযুক্তি)।

🎯পরীক্ষায় সচরাচর আসা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন (Common Exam Questions)

২ এবং ৩ নম্বরের প্রশ্ন:

  1. ‘চিকেনস নেক’ বা শিলিগুড়ি করিডর কী?
  2. দুর্গাপুরকে ‘ভারতের রূঢ়’ বলা হয় কেন?
  3. ‘ত্রাসের নদী’ কাকে এবং কেন বলা হয়?
  4. খাদার ও ভাঙর মাটির পার্থক্য লেখো।
  5. কালবৈশাখী ও লু কী?
  6. পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুর উপর মৌসুমী বায়ুর প্রভাব লেখ।
  7. পশ্চিমবঙ্গের পাট শিল্পের সমস্যা গুলি লেখ।

৫ নম্বরের প্রশ্ন:

  1. পশ্চিমবঙ্গের ভূপ্রকৃতিকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? উত্তরের পার্বত্য অঞ্চলের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।
  2. গঙ্গা বা ভাগীরথী-হুগলী নদীর গতিপথ আলোচনা করো।
  3. পশ্চিমবঙ্গে পাট শিল্পের একদেশীভবনের (কেন্দ্রীভবন) কারণগুলি ব্যাখ্যা করো।
  4. দার্জিলিং পার্বত্য অঞ্চলে চা চাষের অনুকূল ভৌগোলিক পরিবেশ বর্ণনা করো।

পশ্চিমবঙ্গ অধ্যায়ের ২ নম্বর ও ৫ নম্বরের সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর

🔗 Related Post


লেখক: WebBhugol Team
বিষয়: পশ্চিমবঙ্গ ভূগোল
সর্বশেষ আপডেট: মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গ সম্পর্কিত FAQ

১. পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কবে গঠিত হয়?

পশ্চিমবঙ্গ ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতার সময় অবিভক্ত বাংলার পশ্চিমাংশ নিয়ে গঠিত হয়।

২. পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কী?

পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী হলো কলকাতা।

৩. পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?

দার্জিলিং জেলার সিঙ্গললিলা পর্বতশ্রেণিতে অবস্থিত সান্দাকফু (৩৬৩০ মিটার) পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।

৪. পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম জেলা কোনটি?

বৃহত্তম জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং ক্ষুদ্রতম জেলা কলকাতা।

৫. পশ্চিমবঙ্গের প্রধান নদী কোনটি?

গঙ্গা পশ্চিমবঙ্গের প্রধান নদী। এটি মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানের কাছে পদ্মা ও ভাগীরথী-হুগলি শাখায় বিভক্ত হয়।

৬. ‘বাংলার দুঃখ’ কোন নদীকে বলা হয়?

দামোদর নদকে ‘বাংলার দুঃখ’ বলা হয়।

৭. ‘ত্রাসের নদী’ কাকে বলা হয়?

তিস্তা নদীকে ‘ত্রাসের নদী’ বলা হয়, কারণ এটি আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে।

৮. পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু কেমন?

পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র ক্রান্তীয় মৌসুমি প্রকৃতির।

৯. কালবৈশাখী কী?

গ্রীষ্মকালে বিকেলের দিকে বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়বৃষ্টিকে কালবৈশাখী বলা হয়।

১০. পশ্চিমবঙ্গে কোন কোন ধরনের মৃত্তিকা দেখা যায়?

পডজল, ল্যাটেরাইট, পলিমাটি এবং লবণাক্ত মৃত্তিকা প্রধানত দেখা যায়।

১১. পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে উর্বর মাটি কোনটি?

পলিমাটি পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে উর্বর মাটি।

১২. পডজল মাটি কোথায় পাওয়া যায়?

দার্জিলিং ও পার্বত্য অঞ্চলে পডজল মাটি পাওয়া যায়।

১৩. ল্যাটেরাইট মাটি কোথায় দেখা যায়?

পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মালভূমি অঞ্চলে ল্যাটেরাইট মাটি দেখা যায়।

১৪. পশ্চিমবঙ্গে কোন ফসলকে সোনালি তন্তু বলা হয়?

পাটকে সোনালি তন্তু (Golden Fibre) বলা হয়।

১৫. পশ্চিমবঙ্গের ধানের গোলা কোন জেলা?

পূর্ব বর্ধমান জেলাকে পশ্চিমবঙ্গের ধানের গোলা বলা হয়।

১৬. দার্জিলিং কেন বিখ্যাত?

দার্জিলিং বিশ্ববিখ্যাত চা উৎপাদন এবং সান্দাকফু শৃঙ্গের জন্য বিখ্যাত।

১৭. পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিল্প কোনগুলি?

লৌহ-ইস্পাত শিল্প, পাট শিল্প, কার্পাস বয়ন শিল্প এবং তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প প্রধান।

১৮. ভারতের প্রথম আধুনিক পাটকল কোথায় স্থাপিত হয়?

১৮৫৫ সালে হুগলির রিশড়ায় ভারতের প্রথম আধুনিক পাটকল স্থাপিত হয়।

১৯. কলকাতা বন্দর কেন গুরুত্বপূর্ণ?

কলকাতা বন্দর ভারতের অন্যতম প্রধান নদীবন্দর এবং পূর্ব ভারতের বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র।

২০. সুন্দরবন কেন বিশ্ববিখ্যাত?

সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য এবং ১৯৮৭ সালে UNESCO World Heritage Site-এর মর্যাদা লাভ করে।

Please Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!