H.S GEOGRAPHYSemester 3

ভৌমজল (Groundwater): কার্য ও ভূমিরূপ | Class 12 Geography Semester 3 Notes + MCQ Quiz

ভূমিকা: তোমার কি জানো টিউবওয়েলের জল কোথা থেকে আসে? হ্যাঁ আজ আমরা ভূগর্ভস্থ জল বা ভৌমজল নিয়ে আলোচনা করব। Class 12 semester 3 Geography এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ভৌমজল ও সৃষ্ট ভূমিরূপ। ছাত্র ছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে ভৌমজল সম্পর্কে একটি শর্ট নোট ও পরীক্ষায় আসার উপযোগী MCQ এই পোস্টটিতে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পোস্টটির শেষে তোমাদের প্রস্তুতি যাচাই করার জন্য একটি আকর্ষণীয় MCQ Quiz দেওয়া আছে। ভৌমজলের কার্য ও ভূমিরূপের এই শর্ট নোট ও MCQ প্রশ্ন উত্তর গুলো তোমাদের উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল বিষয়ের ভালো ফলাফলের সহায়ক হবে, তো চলো শুরু করা যাক।

📝

Table of Contents

ভৌমজলের কার্য MCQ Quiz

ভৌমজলের কার্য পড়ার পর গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের মাধ্যমে নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন।

Quiz শুরু করুন →

উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল সেমিস্টার ৩: ভৌমজল ও কার্য (Ground Water Works)

বর্তমানে ছাত্র ছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে আমার আট বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এই শর্ট নোট ও MCQ প্রশ্ন উত্তর গুলো তৈরি করা হল।

বহির্জাত প্রক্রিয়ার MCQ মক টেস্ট দিন 👆

ভৌমজল (Ground Water) কী?

সাধারণত ভূপৃষ্ঠে পতিত বৃষ্টির জল বা তুষারগলা জলের যে অংশ মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে মাটি বা শিলার ছিদ্র দিয়ে ভূগর্ভে প্রবেশ করে সঞ্চিত হয়, তাকেই ভৌমজল বা ভূগর্ভস্থ জল বলে। ভূতাত্ত্বিক ড. এম. আর. লোধার মতে, ভূপৃষ্ঠের নীচে অপ্রবেশ্য স্তরের উপর মাটি ও শিলার রন্ধ্রে অবস্থানকারী জলই হল ভৌমজল। মানুষের পানীয় জল ও কৃষিকাজের এক বিশাল অংশ এই জলের ওপর নির্ভরশীল।

ভৌমজলের প্রধান উৎসসমূহ

ভৌমজল মূলত ৫টি উৎস থেকে আসে:

  • আবহিক জল (Meteoric Water): বৃষ্টিপাত বা তুষারগলা জল চুঁইয়ে ভূগর্ভে গেলে। এটিই ভৌমজলের প্রধান উৎস।
  • সহজাত জল (Connate Water): পাললিক শিলা সৃষ্টির সময় শিলার স্তরে আবদ্ধ হয়ে যাওয়া জল।
  • উৎস্যন্দ জল (Juvenile Water): অগ্ন্যুৎপাতের সময় ম্যাগমার সাথে বেরিয়ে আসা উত্তপ্ত খনিজপূর্ণ জল।
  • মহাসাগরীয় জল (Oceanic Water): উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্র থেকে শিলার মধ্য দিয়ে প্রবেশ করা জল।
  • ঘনীভূত জল (Condensed Water): শিলারন্ধ্রে বায়বীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে সৃষ্ট জল।

🎯 Tips: ভৌমজলের উৎস থেকে প্রতিবছর প্রশ্ন এসে থাকে, এগুলো ভালো করে বুঝে নাও।

ভৌমজলের সঞ্চয় ও নিয়ন্ত্রক

ভূগর্ভে জলের সঞ্চয় কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে:

১. বৃষ্টিপাতের পরিমাণ: বৃষ্টিপাত বেশি হলে অনুপ্রবেশ বা Infiltration ভালো হয় এবং ভৌমজল বাড়ে।

২. ভূমির ঢাল: সমতল ভূমিতে জল চুঁইয়ে ঢোকার বেশি সময় পায়, কিন্তু খাড়া ঢালে পৃষ্ঠপ্রবাহ বেশি হওয়ায় ভৌমজল সঞ্চয় কম হয়।

৩. শিলার প্রবেশ্যতা (Permeability): শিলা বা মাটির সচ্ছিদ্রতা যত বেশি হবে (যেমন- বেলেপাথর), জল তত সহজে প্রবেশ করবে। কাঁদা পাথর বা গ্রানাইট অপ্রবেশ্য হওয়ায় জল সঞ্চয়ে বাধা দেয়।

৪. উদ্ভিদের আবরণ: গাছের পাতা ও কাণ্ডে বৃষ্টির জল বাধা পেয়ে ধীরে ধীরে মাটিতে পড়ে এবং শেকড়ের সাহায্যে গভীরে প্রবেশ করে।

​যেমন নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলায় ভৌমজলের সঞ্চয় সর্বাধিক। বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলায় ভৌমজলের সঞ্চয় সর্বনিম্ন। তবে ভৌমজলের ব্যবহার সম্পর্কে আমাদের আরও সচেতন হওয়া উচিত।

মহীসঞ্চরন মতবাদ সম্পর্কে MCQ টেস্ট দিন 👈

ভৌমজলের স্তরবিন্যাস

ভূগর্ভস্থ জলের স্তরকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:

  • ভাদোস স্তর (Vadose Zone): এটি একটি অসম্পৃক্ত স্তর। ভূপৃষ্ঠ থেকে যে স্তরের মধ্যে দিয়ে জল চুঁইয়ে নীচে নামে, তাকে ভাদোস স্তর বলে। এই স্তরের জল অস্থায়ী।
  • ফ্রিয়েটিক স্তর (Phreatic Zone): ভাদোস স্তরের নীচে অবস্থিত সারাবছর জল দ্বারা সম্পৃক্ত স্তর। এই স্তরেই জলের স্থায়ী ভাণ্ডার বা ভৌমজল তল (Water Table) গড়ে ওঠে।

অ্যাকুইফার (Aquifer) বা জলবাহী স্তর কী?

ল্যাটিন শব্দ ‘Aqua’ (জল) এবং ‘Fero’ (বহন করা) থেকে অ্যাকুইফার শব্দটি এসেছে। ভূ-অভ্যন্তরে প্রবেশ্য শিলাস্তরে অবস্থিত জলবাহী স্তরকেই অ্যাকুইফার বলে। এটি মূলত তিন প্রকার:

  • মুক্ত অ্যাকুইফার: অপ্রবেশ্য শিলার ওপর থাকা প্রবেশ্য শিলাস্তর, যেখানে জল স্বাধীনভাবে ওঠানামা করে।
  • আবদ্ধ অ্যাকুইফার: দুটি অপ্রবেশ্য শিলার মাঝে থাকা জলবাহী স্তর। এখানে জলের চাপ বেশি থাকে এবং এই স্তরেই আর্টেজীয় কূপ (Artesian Well) সৃষ্টি হয়।
  • পার্চড অ্যাকুইফার: মুক্ত স্তরের ওপরে অপ্রবেশ্য শিলার মধ্যে চামচের মতো দেখতে ছোট জলবাহী স্তর।

​[হ্যালো ছাত্র ছাত্রী তোমরা যদি এই ভৌমজল সম্পর্কে এই পোস্টটি ভালো করে পড় পরবর্তীতে কার্স্ট ভূমিরূপ পড়ার সময় অনেক সুবিধা হবে। ভৌমজল ও কার্স্ট ভূমিরূপ একে অপরের সঙ্গে জড়িত বিষয়। তোমার এই শর্ট নোটটি মনোযোগ দিয়ে পড়ো, কোনো বিষয় বুঝতে সমস্যা হলে কমেন্টে জানাতে ভুলোনা।]

হিমবাহ সৃষ্ট ভূমিরূপ প্রশ্ন উত্তর পড়ুন 👈

ভৌমজল (Groundwater) MCQ প্রশ্ন ও উত্তর

১. ভৌমজলের প্রধান উৎস কোনটি?

A) সহজাত জল
B) উৎস্যন্দ জল
C) আবহিক জল
D) মহাসাগরীয় জল

সঠিক উত্তর: C) আবহিক জল

ব্যাখ্যা: ভৌমজলের সর্বাধিক অংশ বৃষ্টিপাত ও তুষারগলা জল থেকে আসে। এই জল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে শিলার রন্ধ্রপথে ভূগর্ভে প্রবেশ করে। এই জলকে আবহিক জল (Meteoric Water) বলা হয়।


২. পাললিক শিলা সৃষ্টির সময় শিলার মধ্যে আবদ্ধ জলকে কী বলে?

A) আবহিক জল
B) সহজাত জল
C) ঘনীভূত জল
D) উৎস্যন্দ জল

সঠিক উত্তর: B) সহজাত জল

ব্যাখ্যা: পাললিক শিলা স্তরে স্তরে সঞ্চিত হওয়ার সময় আদিম সমুদ্র বা হ্রদের জল শিলার মধ্যে আবদ্ধ হয়ে যায়। এই জলকে সহজাত জল (Connate Water) বলা হয়।


৩. অগ্ন্যুৎপাতের সময় ম্যাগমার মধ্যে সঞ্চিত উত্তপ্ত খনিজপূর্ণ জলকে কী বলা হয়?

A) উৎস্যন্দ জল
B) সহজাত জল
C) প্লুটনিক জল
D) আবহিক জল

সঠিক উত্তর: A) উৎস্যন্দ জল

ব্যাখ্যা: অগ্ন্যুৎপাতের সময় ম্যাগমার সঙ্গে যে উত্তপ্ত ও খনিজসমৃদ্ধ জল বেরিয়ে আসে তাকে উৎস্যন্দ বা Juvenile Water বলা হয়।


৪. নিচের কোনটি অপ্রবেশ্য শিলা বা অ্যাকুইফিউজ (Aquifuge)-এর উদাহরণ?

A) চুনাপাথর
B) গ্রানাইট
C) বেলেপাথর
D) ডলোমাইট

সঠিক উত্তর: B) গ্রানাইট

ব্যাখ্যা: গ্রানাইট শিলা সাধারণত সচ্ছিদ্র নয়, তাই এর মধ্য দিয়ে জল সহজে প্রবেশ বা পরিবাহিত হতে পারে না। তাই এটি অ্যাকুইফিউজের উদাহরণ।


৫. আর্টেজীয় কূপ (Artesian Well) কোন ধরনের অ্যাকুইফারে দেখা যায়?

A) পার্চড অ্যাকুইফার
B) মুক্ত অ্যাকুইফার
C) আবদ্ধ অ্যাকুইফার
D) অ্যাকুইকুড

সঠিক উত্তর: C) আবদ্ধ অ্যাকুইফার

ব্যাখ্যা: দুটি অপ্রবেশ্য শিলাস্তরের মধ্যে অবস্থিত আবদ্ধ অ্যাকুইফারে জলের চাপ বেশি থাকে। ফলে কূপ খনন করলে জল ফোয়ারার মতো বেরিয়ে আসে, যাকে আর্টেজীয় কূপ বলে।


৬. ভূপৃষ্ঠ থেকে সম্পৃক্ত স্তরের ওপর পর্যন্ত বিস্তৃত অসম্পৃক্ত স্তরটিকে কী বলে?

A) ফ্রিয়েটিক স্তর
B) ভাদোস স্তর
C) অ্যাকুইফার
D) স্থায়ী সম্পৃক্ত স্তর

সঠিক উত্তর: B) ভাদোস স্তর

ব্যাখ্যা: ভাদোস স্তর হলো ভূপৃষ্ঠ ও সম্পৃক্ত স্তরের মধ্যবর্তী অসম্পৃক্ত অঞ্চল। এখানে জল অস্থায়ীভাবে থাকে এবং ধীরে ধীরে নিচে নেমে যায়।


৭. ভাদোস স্তর হল—

A) সম্পৃক্ত স্তর
B) স্থায়ী সম্পৃক্ত স্তর
C) অসম্পৃক্ত স্তর
D) অস্থায়ী ফ্রিয়েটিক স্তর

সঠিক উত্তর: C) অসম্পৃক্ত স্তর

ব্যাখ্যা: ভাদোস স্তরে মাটি ও শিলার রন্ধ্র সম্পূর্ণভাবে জলে পূর্ণ থাকে না, তাই এটি অসম্পৃক্ত স্তর।


৮. ভৌমজলের উচ্চতা বা গভীরতা মাপার যন্ত্রের নাম কী?

A) হাইগ্রোমিটার
B) পিজোমিটার
C) থার্মোমিটার
D) ব্যারোমিটার

সঠিক উত্তর: B) পিজোমিটার

ব্যাখ্যা: পিজোমিটার (Piezometer) যন্ত্রের সাহায্যে ভূগর্ভস্থ জলের উচ্চতা বা পিজোমেট্রিক পৃষ্ঠের অবস্থান নির্ণয় করা হয়।


৯. মুক্ত জলবাহী স্তরের ওপর অপ্রবেশ্য শিলার মধ্যে সৃষ্ট চামচের মতো দেখতে জলবাহী স্তরকে কী বলে?

A) আবদ্ধ অ্যাকুইফার
B) পার্চড অ্যাকুইফার
C) অ্যাকুইটার্ড
D) অ্যাকুইকুড

সঠিক উত্তর: B) পার্চড অ্যাকুইফার

ব্যাখ্যা: প্রধান জলস্তরের ওপর অপ্রবেশ্য শিলার অবতল অংশে স্থানীয়ভাবে যে ছোট জলবাহী স্তর তৈরি হয় তাকে পার্চড অ্যাকুইফার বলে।


১০. পিজোমিটার দিয়ে মাপা হয়—

A) নদীর গভীরতা
B) ভৌমজলের গভীরতা
C) ভৌমজলের ভূ-পৃষ্ঠীয় উচ্চতা
D) ভৌমজলের প্রবাহ বেগ

সঠিক উত্তর: C) ভৌমজলের ভূ-পৃষ্ঠীয় উচ্চতা

ব্যাখ্যা: পিজোমিটারের সাহায্যে ভূগর্ভস্থ জলের চাপ ও উচ্চতা নির্ণয় করা হয়।


১১. সারাবছর জল দ্বারা পরিপূর্ণ বা সম্পৃক্ত ভূগর্ভস্থ স্তরটিকে কী বলা হয়?

A) ফ্রিয়েটিক স্তর
B) ভাদোস স্তর
C) কৈশিক স্তর
D) মৃত্তিকা স্তর

সঠিক উত্তর: A) ফ্রিয়েটিক স্তর

ব্যাখ্যা: ফ্রিয়েটিক স্তর হলো সেই অঞ্চল যেখানে শিলার রন্ধ্র সম্পূর্ণভাবে জলে পূর্ণ থাকে এবং এখানেই ভৌমজলের স্থায়ী ভাণ্ডার তৈরি হয়।


১২. শিলা বা মৃত্তিকার মধ্যে জলপ্রবেশের ক্ষমতাকে কী বলে?

A) সচ্ছিদ্রতা
B) প্রবেশ্যতা
C) অনুপ্রবেশ
D) অনুস্রাবন

সঠিক উত্তর: B) প্রবেশ্যতা

ব্যাখ্যা: রন্ধ্রের মধ্য দিয়ে জল চলাচলের ক্ষমতাকে প্রবেশ্যতা (Permeability) বলে। আর রন্ধ্রের পরিমাণকে সচ্ছিদ্রতা বলে।


১৩. শিলার ফাঁক ও মৃত্তিকার রন্ধ্রের মধ্য দিয়ে জল ভূ-অভ্যন্তরের গভীরে প্রবেশ করাকে কী বলে?

A) পৃষ্ঠপ্রবাহ
B) বাষ্পীভবন
C) অনুপ্রবেশ
D) অনুস্রাবন

সঠিক উত্তর: D) অনুস্রাবন

ব্যাখ্যা: ভূপৃষ্ঠ থেকে জল নিচের দিকে রন্ধ্রপথে ধীরে ধীরে প্রবেশ করলে তাকে অনুস্রাবন (Percolation) বলে।


১৪. বেলে মাটি ও দোআঁশ মাটিতে গঠিত ধীরগতিসম্পন্ন জলবাহী স্তরকে কী বলা হয়?

A) অ্যাকুইটার্ড
B) অ্যাকুইকুড
C) অ্যাকুইফিউজ
D) পার্চড অ্যাকুইফার

সঠিক উত্তর: A) অ্যাকুইটার্ড

ব্যাখ্যা: অ্যাকুইটার্ড এমন একটি স্তর যার মধ্য দিয়ে জল খুব ধীরে প্রবাহিত হয়। বেলে ও দোআঁশ মাটি এর উদাহরণ।


১৫. ভূ-অভ্যন্তরস্থ জলের ভূপৃষ্ঠে প্রাকৃতিকভাবে উঠে আসাকে কী বলে?

A) রিচার্জ
B) ডিসচার্জ
C) অনুপ্রবেশ
D) কৈশিক ক্রিয়া

সঠিক উত্তর: B) ডিসচার্জ

ব্যাখ্যা: ভূগর্ভস্থ জল প্রাকৃতিকভাবে ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে এলে তাকে ডিসচার্জ বলে। এর ফলে প্রস্রবণ সৃষ্টি হতে পারে।

পুঞ্জিত ক্ষয় বা পুঞ্জিত স্থানান্তর MCQ প্রশ্ন উত্তর

🎯 ভৌমজলের কার্য

নীচের গুরুত্বপূর্ণ MCQ Test দিয়ে নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন।

Class 12 Semester-3 ভৌমজলের কার্য Mock Test

১৫টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে নিজের প্রস্তুতি পরীক্ষা করুন

FAQ: ভৌমজলের কার্য

১. ভৌমজল কাকে বলে?

ভূপৃষ্ঠের নিচে শিলা ও মাটির রন্ধ্রে সঞ্চিত জলকে ভৌমজল বলে।

২. ভৌমজলের প্রধান উৎস কী?

বৃষ্টির জল বা আবহিক জল ভৌমজলের প্রধান উৎস।

৩. ভৌমজল কীভাবে ভূমিরূপ সৃষ্টি করে?

ভৌমজল দ্রবণ, ক্ষয় ও সঞ্চয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন ভূমিরূপ তৈরি করে।

৪. ভৌমজল দ্বারা সৃষ্ট ক্ষয়জাত ভূমিরূপ কী কী?

গুহা, কার্স্ট গহ্বর, ভূগর্ভস্থ পথ ইত্যাদি।

৫. Class 12 Geography Semester 3 ভৌমজল অধ্যায়ের MCQ কোথায় পাওয়া যাবে?

এই পোস্টে গুরুত্বপূর্ণ MCQ Quiz দেওয়া হয়েছে

Please Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!