নবম শ্রেণী ৭ম অধ্যায় : ভারতের সম্পদ |Class 9 Geography 7th Chapter
নবম শ্রেণী ৭ম অধ্যায় : ভারতের সম্পদ | Class ix Geography |Class 9 Geography 7th Chapter

নবম শ্রেণী ৭ম অধ্যায় : ভারতের সম্পদ MCQ Question Answer
1. ভারতের প্রথম পারমাণবিক শক্তিকেন্দ্র কোথায়?
A) ট্রম্বে
B) তারাপুর
C) কালপাক্কম
D) নারোরা
👉 উত্তর: A
2. ONGC প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
A) 1953
B) 1956
C) 1965
D) 1976
👉 উত্তর: B
3. ভারতের বৃহত্তম কয়লাক্ষেত্র কোনটি?
A) রাণীগঞ্জ
B) ঝরিয়া
C) তালচের
D) বোকারো
👉 উত্তর: B
4. পশ্চিমবঙ্গের প্রধান কয়লাক্ষেত্র কোনটি?
A) ঝরিয়া
B) রাণীগঞ্জ
C) তালচের
D) বোকারো
👉 উত্তর: B
5. কোক কয়লা প্রস্তুত করা হয়—
A) লিগনাইট থেকে
B) বিটুমিনাস থেকে
C) অ্যানথ্রাসাইট থেকে
D) পিট থেকে
👉 উত্তর: B
6. একটি পুনর্নবীকরণযোগ্য সম্পদ কোনটি?
A) কয়লা
B) খনিজ তেল
C) বায়ু
D) লোহা
👉 উত্তর: C
7. একটি অপুনর্নবীকরণযোগ্য সম্পদ কোনটি?
A) সূর্যালোক
B) বায়ু
C) কয়লা
D) জল
👉 উত্তর: C
8. সৌরশক্তি উৎপাদনে ভারতের শীর্ষ রাজ্য কোনটি?
A) পশ্চিমবঙ্গ
B) গুজরাট
C) রাজস্থান
D) কেরল
👉 উত্তর: C
9. ভারতের বৃহত্তম খনিজ তেল উত্তোলন অঞ্চল কোনটি?
A) গুজরাট উপকূল
B) পশ্চিম উপকূল
C) পূর্ব উপকূল
D) ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা
👉 উত্তর: B
10. একটি জৈব খনিজের উদাহরণ কোনটি?
A) লোহা
B) তামা
C) কয়লা
D) সোনা
👉 উত্তর: C
11.‘World Resources and Industries’ গ্রন্থটি কে লেখেন?
A) জে.এফ. জ্যাকসন
B) জিমারম্যান
C) এডওয়ার্ড হাবব
D) হেনরি বেল
👉 উত্তর: B
12.লোহা উত্তোলনের ক্ষেত্রে কোন রাজ্য প্রথম স্থানে আছে?
A) ছত্তিশগড়
B) ঝাড়খণ্ড
C) ওড়িশা
D) মধ্যপ্রদেশ
👉 উত্তর: C
13.ভারতের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র কোনটি?
A) তারাপুর
B) কুদানকুলাম
C) কালপাক্কম
D) নারোরা
👉 উত্তর: B
14.ভারতের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি?
A) ভাটিগড়
B) তেহরি বাঁধ
C) চাম্বা
D) নাঙ্গারজুন সাগর
👉 উত্তর: B
15.ভারতের বৃহত্তম বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র কোনটি?
A) রামাগিরি
B) মুপান্ডল
C) কালপাক্কম
D) জয়পুর
👉 উত্তর: B
SAQ Questions Answer
1.বস্তুর কার্যকারিতার সূত্র কে দেন?
Ans: জিমারম্যান..
2.সম্পদের কার্যকারিতার তত্ত্ব কে দেন?
Ans: জিমারম্যান
3.’World Resources and Industries ‘ গ্রন্থটি কে লেখেন?
Ans:জিমারম্যান
4.গ্রিনল্যান্ডের ক্রায়োলাইট কোন ধরনের সম্পদের উদাহরণ ?
Ans:অদ্বিতীয়
5.লোহার সর্বোৎকৃষ্ট আকরিক কোনটি?
Ans: ম্যাগনেটাইট
6.আকরিক লোহা উত্তোলনে কোন রাজ্য প্রথম স্থান অধিকার করে?
Ans:ওড়িশা
7.ভারতের কোন জাতীয় লোহা সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়?
Ans:হেমাটাইট।
8.দুটি জীবাশ্ম জ্বালানির নাম লেখ।
Ans:কয়লা, খনিজ তেল
9.কয়লার সবচেয়ে উৎকৃষ্ট আকরিক কোনটি?
Ans:অ্যানথ্রাসাইট।
10.ভারতের প্রাচীনতম কয়লা খনি কোনটি?
Ans:রানিগঞ্জ
11.ভারতের লিগনাইটের ভান্ডার কাকে বলে?
Ans:নেভেলি (তামিলনাড়ু)
12.তরল সোনা কাকে বলে?
Ans:খনিজ তেলকে।
13.ভারতের প্রাচীনতম তৈল খনি কোনটি?
Ans:অসমের ডিগবয়।
14.ভারতের বৃহত্তম তৈল শোধনাগর কোনটি?
Ans:জামনগর।
15.কাকে সাদা কয়লা বলে?
Ans:জলবিদ্যুৎ কে।
16.ভারতের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি?
Ans:তেহরি বাঁধ প্রকল্প
17.ভারতের প্রথম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় গড়ে ওঠে?
Ans:দার্জিলিং এর সিদ্রাপং এ।
18.ভারতের প্রথম পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র কোনটি?
Ans:তারাপুর (মহারাষ্ট্র)
19.ভারতের বৃহত্তম পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র কোনটি?
Ans:কুদানকুলাম (তামিলনাড়ু)
20.ভারতের বৃহত্তম বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র কোনটি?
Ans:মুপান্ডল (তামিলনাড়ু)
21.ONGC এর সদর দপ্তর কোথায়?
Ans:দিল্লি।
22.NHPC এর পূর্ণ অর্থ কি?
Ans: National Hydro-electric Power Corporation.

নবম শ্রেণী ৭ম অধ্যায় : ভারতের সম্পদ
15 টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন বিগত বছরগুলিতে পরীক্ষায় পড়েছে
🎉 তোমার স্কোর: /15
2 Marks Questions
1.সম্পদ কাকে বলে?
Ans: যে বস্তুগত ও অবস্তুগত পদার্থের উপযোগিতা ও কার্যকারিতা উভয় আছে যাদের ব্যবহারের মাধ্যমে মানব সমাজের চাহিদা পূরণ ও বিভিন্ন উদ্দেশ্য সাধন হয় তাকে সম্পদ বলে। যেমন কয়লা থেকে প্রস্তুত করা হয় স্যাকারিন আলকাতরা যা মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কাজে লাগে।
2.নিরপেক্ষ উপাদান বলতে কি বোঝ?
Ans: যে সমস্ত উপাদান সম্পদ নয়, আবার সম্পদ দৃষ্টিতে বাধা বা প্রতিরোধ সৃষ্টি করে না সেইসব উপাদানকে নিরপেক্ষ উপাদান বলে। নিরপেক্ষ উপাদান গুলি মানুষের কোন উপকারে লাগে না তবে নিরপেক্ষ উপাদানের মধ্যেই সম্পদ লুকিয়ে থাকে মানুষ তার জ্ঞান বিচার বুদ্ধি বিবেচনার মাধ্যমে নিরপেক্ষ উপাদানকে সম্পদে পরিণত করতে পারে।
যেমন কোন পরিত্যক্ত জলাভূমি হল নিরপেক্ষ উপাদান ওই জলাভূমির জঞ্জাল পরিষ্কার করে মাটি ভরাট করে কৃষিযোগ্য জমিতে পরিণত করা হলো সম্পদ।
3.সম্পদ সৃষ্টির উপাদান কি?
Ans: সম্পদ সৃষ্টির প্রধান উপাদান হল প্রকৃতি, মানুষ ও সংস্কৃতি।
প্রকৃতি হল সম্পদের প্রাথমিক ভান্ডার মানুষ তার জ্ঞান বিচার বুদ্ধি সাহায্যে প্রকৃতির উপাদান গুলিকে কাজে লাগিয়ে সম্পদে পরিণত করে।
4.জাতীয় সম্পদ কাকে বলে?
Ans:যে সকল সম্পদের ক্ষেত্রে কোন দেশের বা রাষ্ট্রের অধিকার থাকে সেগুলি জাতীয় সম্পদ যেমন ভারতের বনজ সম্পদ।
5.সম্পদ সংরক্ষণ বলতে কি বোঝ?
Ans:দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাহিদা পূরণের কথা মাথায় রেখে সম্পদকে যথাযথভাবে বিজ্ঞানসম্মত ও মিতব্যয়ী উপায়ে ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ করা এবং সম্পদের অপচয় রোধ করার ব্যবস্থাই হল সম্পদ সংরক্ষণ
6.জীবাশ্ম জ্বালানি কাকে বলে?
Ans:জৈব পদার্থ বা জীবদেহের জীবাশ্ম থেকে উৎপন্ন জ্বালানীকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে। যেমন- কয়লা, খনিজ তেল ,প্রাকৃতিক গ্যাস।
7.পুনর্ভব সম্পদ কাকে বলে?
Ans:যে সকল সম্পদ অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে বা অন্য কোন কারণে পৃথিবীতে পরিমাণগত ভাবে কমে গেলেও প্রকৃতিক নিয়মে আপনা আপনি নির্দিষ্ট সময়ে পূরণ হয়ে যায় তাকে পুনর্ভব সম্পদ বলে। যেমন বনভূমি সমুদ্র ও নদীর মাছ।
8.অপুনর্ভব সম্পদ কাকে বলে?
Ans: যে সকল সম্পদ তোমাকে তো ব্যবহারের ফলে পরিমাণে কমে যায় এবং যেগুলি প্রকৃতিতে নির্দিষ্ট পরিমাণে সঞ্চিত আছে। যেমন কয়লা তামা আকরিক লোহা বিভিন্ন খনিজ সম্পদ।
9.কয়লা কে কালো হীরা বলে কেন?
Ans:বর্তমানে কয়লার ব্যবহার এত ব্যাপক ও বিভিন্ন যে প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করা অসম্ভব কয়লার রং কালো ও হিরোর মত মূল্যবান তাই একে কালো হীরে বলে।
3 Marks Questions
1.কয়লার ব্যবহার বা গুরুত্ব লেখো?

Ans: i.তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন: কয়লার প্রধান ব্যবহার হল তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন সমগ্র পৃথিবীর মোট বিদ্যুতের প্রায় ৩৯ শতাংশ কয়লা থেকে আসে।
ii.লৌহ ইস্পাত শিল্পের কাঁচামাল: বিশ্বের ইস্পাত উৎপাদনের প্রায় ৭০% কোক কয়লার উপর নির্ভরশীল।
iii.গৃহস্থলীর জ্বালানি: শীত প্রধান দেশে জ্বালানির সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য উৎস হলো কয়লা।
iv.উপজাত দ্রব্য: কয়লা স্তরের মধ্যে সঞ্চিত মিথেন গ্যাস কোক কয়লা তৈরীর সময় নানান ধরনের উপজাত দ্রব্য যেমন স্যাকারিন, বেনজল,টুলুইন, পারাজাইলিন, পাইরিভিন, ন্যাপথলিন প্রভৃতির বিপুল জনপ্রিয় ব্যবহার্য্য পদার্থ।
2.গচ্ছিত সম্পদ ও অবাধ সম্পদের মধ্যে পার্থক্য লেখ?
| বিষয় | গচ্ছিত সম্পদ | অবাধ সম্পদ |
| সংজ্ঞা | যে সমস্ত সম্পদ প্রকৃতিতে নির্দিষ্ট পরিমানে সঞ্চিত আছে। ক্রমাগত ব্যবহারের ফলে যেগুলো নিঃশেষ হয়ে যেতে পারে। যেমন কয়লা খনিজ তেল, লৌহ আকরিক। | যে সমস্ত সম্পদ প্রকৃতিতে অসীম পরিমাণে সঞ্চিত এবং ক্রমাগত ব্যবহার ফলে যাদের ভান্ডার ফুরিয়ে যায় না। যেমন জল ,সূর্যকিরণ ,বায়ু |
| ব্যাপ্তি | সর্বত্র পাওয়া যায় না একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। | সর্বত্র সমবায় বন্টিত নির্দিষ্ট অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। |
| খরচ | গচ্ছিত সম্পদ আহরণ করতে খরচ বেশি হয়। | পুরনশীল সম্পদ আহরণ সব সময় ব্যয়বহুল হয় না। |
| সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা: | গচ্ছিত সম্পদ সংরক্ষণ করা খুব জরুরী। | অবাধ অফুরন্ত বলে সম্পদ সংরক্ষণ করা অতটা প্রয়োজন নেই। |
3.প্রচলিত শক্তি ও অপ্রচলিত শক্তির মধ্যে পার্থক্য লেখ?
| বিষয় | প্রচলিত শক্তি | অপ্রচলিত শক্তি |
| সংজ্ঞা | যে সমস্ত শক্তি প্রাচীনকাল ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে এবং যা ক্রমাগত ব্যবহারের ফলে একদিন শেষ হয়ে যাবে তাকে প্রচলিত বা চিরাচরিত শক্তি বলে। | যে সমস্ত শক্তি বিগত কয়েক দশক ধরে ব্যবহার হয়ে চলেছে এবং ক্রমাগত ব্যবহারের ফলে যে শক্তি ফুরিয়ে যায় না। তাকে অপ্রচলিত শক্তি বা অচিরাচরিত শক্তি বলে। |
| ধরন | এসব শক্তি উৎস গচ্ছিত তাই ব্যবহারে ফুরিয়ে যায়। | এই শক্তির উৎস অফুরন্ত। |
| পরিবেশ দূষণ | প্রচলিত শক্তি উৎপাদনে পরিবেশ দূষণ ঘটে। | অপ্রচলিত শক্তি উৎপাদনে পরিবেশ দূষণ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। |
| উৎস | কয়লা ,খনিজ তেল প্রাকৃতিক গ্যাস | সৌরশক্তি ,বায়ু শক্তি, ভূতাপ শক্তি ,জোয়ার ভাটা শক্তি |
4.কয়লা ও খনিজ তেল কে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে কেন?
5.দক্ষিণ ভারতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে ওঠার কারণ?
6.ভারতে কয়লা উত্তোলনের সমস্যা গুলি লেখ।
Ans: i.গুণগত মানের অভাব: ভারতে উত্তোলিত বেশিরভাগ কয়লার দহন শক্তি কম ।
ii.প্রাচীন উত্তোলন পদ্ধতি: আন্ডারগ্রাউন্ড মাইনিং পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করা হয় বলে উত্তোলন ব্যয় খুব বেশি হয়।
iii.খনি দুর্ঘটনা: ভারতের কয়লা খনি গুলিতে মাঝে মধ্যেই ধস নামে ,আগুন লাগে ,খনিতে জল প্রবেশ করে।
iv.পরিবেশগত সমস্যা: ভারতে কয়লা উত্তোলন মূলত অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে হওয়ায় বনভূমি কৃষি ক্ষেত্র ধ্বংস হয়। এছাড়া খনি অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষ জন ব্ল্যাকলাং এর মত রোগব্যাধিক আক্রান্ত হয়।
7.প্রচলিত শক্তির সুবিধা গুলি কি কি?
Ans: i.শক্তিরূপে ব্যবহার: শক্তি দীর্ঘদিন ধরে প্রধান বিদ্যুৎ শক্তির উপর ব্যবহার হয়ে আসছে।
ii.প্রাথমিক খরচ কম: চিরাচরিত শক্তি উৎস থেকে উৎপাদন করতে প্রাথমিক খরচ তুলনামূলক কম হয়।
iii.উৎপাদন: এই শক্তি উন্নত প্রযুক্তি বিদ্যার সাহায্যে কম সময় বেশি পরিমাণে উৎপাদন করা সম্ভব।
8.অপ্রচলিত শক্তির সুবিধা গুলি কি কি?
Ans: i.অফুরন্ত ভান্ডার: অচিরাচরিত শক্তি বিভিন্ন উৎস থেকে অফুরন্ত ও অসীম পরিমাণে পাওয়া যায় যা সহজে নিঃশেষ হয়ে যায় না।
ii.পরিবেশ দূষণ: এ শক্তি ব্যবহার করলে পরিবেশ দূষণ হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম থাকে।।
iii.সহজলভ্যতা: পৃথিবীর বেশিরভাগ স্থানে শক্তি খুব সহজেই উৎপাদন করা সম্ভব।
iv.খরচ: প্রাথমিক খরচ বেশি হলেও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ অত্যন্ত কম।
5 Marks Questions
1.উদাহরণসহ সম্পদের শ্রেণীবিভাগ কর?
2.সম্পদের বৈশিষ্ট্য লেখ?

3.সম্পদ সংরক্ষণের পদ্ধতিগুলি আলোচনা কর।
নবম শ্রেণী ১ম অধ্যায় : গ্রহরূপে পৃথিবী 👉 Click Here
নবম শ্রেণী ২য় অধ্যায় : পৃথিবীর গতি সমূহ 👉 Click Here
সম্পদ সংরক্ষণ বলতে কি বোঝ?
Ans:দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাহিদা পূরণের কথা মাথায় রেখে সম্পদকে যথাযথভাবে বিজ্ঞানসম্মত ও মিতব্যয়ী উপায়ে ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ করা এবং সম্পদের অপচয় রোধ করার ব্যবস্থাই হল সম্পদ সংরক্ষণ
কয়লা কে কালো হীরা বলে কেন?
Ans: বর্তমানে কয়লার ব্যবহার এত ব্যাপক ও বিভিন্ন যে প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করা অসম্ভব কয়লার রং কালো ও হিরোর মত মূল্যবান তাই একে কালো হীরে বলে।
জীবাশ্ম জ্বালানি কাকে বলে?
Ans:জৈব পদার্থ বা জীবদেহের জীবাশ্ম থেকে উৎপন্ন জ্বালানীকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে। যেমন- কয়লা, খনিজ তেল ,প্রাকৃতিক গ্যাস।
পুনর্ভব সম্পদ কাকে বলে?
Ans:যে সকল সম্পদ অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে বা অন্য কোন কারণে পৃথিবীতে পরিমাণগত ভাবে কমে গেলেও প্রকৃতিক নিয়মে আপনা আপনি নির্দিষ্ট সময়ে পূরণ হয়ে যায় তাকে পুনর্ভব সম্পদ বলে। যেমন বনভূমি সমুদ্র ও নদীর মাছ।
অপুনর্ভব সম্পদ কাকে বলে?
Ans: যে সকল সম্পদ তোমাকে তো ব্যবহারের ফলে পরিমাণে কমে যায় এবং যেগুলি প্রকৃতিতে নির্দিষ্ট পরিমাণে সঞ্চিত আছে। যেমন কয়লা তামা আকরিক লোহা বিভিন্ন খনিজ সম্পদ।
জাতীয় সম্পদ কাকে বলে?
Ans:যে সকল সম্পদের ক্ষেত্রে কোন দেশের বা রাষ্ট্রের অধিকার থাকে সেগুলি জাতীয় সম্পদ যেমন ভারতের বনজ সম্পদ।
