নবম শ্রেণী ২য় অধ্যায় : পৃথিবীর গতি সমূহ
MCQ Questions Answer
1.২১শে জুন থেকে ২২ শে ডিসেম্বর পর্যন্ত সূর্যের আপাত গতি-
a.উত্তরায়ণ b.দক্ষিণায়ন c.কর্কট সংক্রান্তি d.মকর সংক্রান্তি
Ans:b.দক্ষিণায়ন
2.পৃথিবীর কক্ষপথের আকৃতি-
a.বৃত্তাকার b.উপবৃত্তাকার c.বর্গাকার d.আয়াতাকার
Ans: b.উপবৃত্তাকার
3.কোন তারিখে দক্ষিণ গোলার্ধে দিনের দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি?
a.21 জুন
b.21 মার্চ
c.23 সেপ্টেম্বর
d.22 ডিসেম্বর
Ans: d.22 ডিসেম্বর
4.নক্ষত্র দিন ও সৌর দিনের সময়ের পার্থক্য কত?
a. 4 মিনিট
b. 4 মিনিট 50 সেকেন্ড
c. 3 মিনিট 56 সেকেন্ড
d. 5 মিনিট 16 সেকেন্ড
Ans: c. 3 মিনিট 56 সেকেন্ড
5.পৃথিবীর সূর্যের মাঝের দূরত্ব সবচেয়ে কম হয় যে অবস্থানে –
a.অনুসূর
b.অপসূর
c.মহাবিষুব
d.জলবিষুব
Ans: a.অনুসূর
6.কোন অঞ্চলে সারা বছর দিন রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান?
a.মেরু
b.ক্রান্তীয়
c.নিরক্ষীয়
d.উপমেরু
Ans: c.নিরক্ষীয়
7.অরোরা বোরিয়ালিস যে অঞ্চলে দেখা যায়-
a.নিরক্ষীয়
b.কুমেরু
c.সুমেরু
d.মধ্যে অক্ষাংশে
Ans: c.সুমেরু
8.যেদিন পৃথিবীতে দিন ও রাত্রের দৈর্ঘ্য সমান হয়-
a.বিষুব
b.সংক্রান্তি
c.অধিবর্ষ
d.আয়নন্ত
Ans: a.বিষুব
9.শীতকালে উত্তর গোলার্ধে-
a.দিন ছোট রাত বড়
b.রাত ছোট দিন বড়
c.দিন রাত সমান
d.২৪ ঘন্টাই দিন
Ans: a.দিন ছোট রাত বড়
10.কোন দিন মহাবিষুব?
a.21 জুন
b.21 মার্চ
c.23 সেপ্টেম্বর
d.22 ডিসেম্বর
Ans:b.21 মার্চ
SAQ Questions Answer
1.কোন রেখায় পৃথিবীর আবর্তন গতিবেগ সবচেয়ে বেশি?
Ans: নিরক্ষরেখায়
2.কোথায় পৃথিবীর আবর্তন বেগ শূন্য?
Ans: মেরুতে
3.কোন গতির জন্য গ্রহরা সূর্যের চারিদিকে ঘোরে?
Ans: পরিক্রমণ গতি।
4.অধিবর্ষে মোট দিন সংখ্যা কত?
Ans: 366 দিন।
5.কোন দিনটিকে অধিদিন বলে?
Ans: ২৯শে ফেব্রুয়ারি।
6.কোন তারিখ উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন?
Ans: ২১ শে জুন।
7.কোন দিনকে কর্কট সংক্রান্তি বলে?
Ans: ২১ শে জুন।
8.বিষুব কথার অর্থ কী?
Ans: সমান
9.নিরক্ষীয় অঞ্চলে পৃথিবীর আবর্তন বেগ কত ?
Ans: ১৬৭০ কিমি
10.কোন অঞ্চলে কোরিওলিস বল শূন্য হয়?
Ans:নিরক্ষীয় অঞ্চলে।
ONLINE MCQ TEST
2 Marks Question Answer
1.আবর্তন গতি কাকে বলে ?
Ans: পৃথিবী নিজের অক্ষরেখা বা মেরুরেখার ওপর এক নির্দিষ্ট গতিতে পশ্চিম হতে পূর্বে ঘোরে। পৃথিবীর এই গতিকে আবর্তন গতি বলে। আবর্তন গতিকে আহ্নিক গতিও বলা হয়। নিজের অক্ষরেখার চারদিকে পৃথিবীর ঘুরতে একদিন সময় লাগে বলে একে আহ্নিক গতি বলা হয়। আবর্তনের সময়: নিজের চারদিকে একবার আবর্তনে পৃথিবীর সময় লাগে 23 ঘণ্টা 56 মিনিট 4 সেকেন্ড বা 24 ঘণ্টা। একে সৌরদিন বলে।
2.সৌরদিন কাকে বলে ?
Ans: পৃথিবীর অক্ষ নিজের চারদিকে একবার আবর্তনে পৃথিবীর সময় লাগে 23 ঘণ্টা 56 মিনিট 4 সেকেন্ড বা 24 ঘণ্টা। একে সৌরদিন বলে।
3.পরিক্রমণ গতি কাকে বলে?
Ans:পৃথিবী নিজের মেরু রেখার চারিদিকে ঘুরতে ঘুরতে একটি নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে), নির্দিষ্ট পথে সূর্যের চারদিকে ঘোরে। পৃথিবীর এই গতিকে পরিক্রমণ গতি বলে।
■ পরিক্রমণ গতিকে বার্ষিকগতিও বলা হয়। সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে 365 দিন 5 ঘণ্টা 48 মিনিট 46 সেকেন্ড বা গড়ে 365 দিন। এই সময়কে বলে এক সৌর বছর
4.সৌর বছর কাকে বলে ?
Ans: সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে 365 দিন 5 ঘণ্টা 48 মিনিট 46 সেকেন্ড বা গড়ে 365 দিন। এই সময়কে বলে এক সৌর বছর ।
5.অধিবর্ষ (Leap year) কাকে বলে ?
365 দিনকে এক বছর ধরলে সৌর বছরের অবশিষ্ট 5 ঘণ্টা 48 মিনিট 46 সেকেন্ড (বা 6 ঘণ্টা) সময় অতিরিক্ত থেকে যায়।এই হিসাব মেলানোর জন্য প্রতি 4 বছর অন্তর ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে 1 দিন (6 ঘণ্টা × 4 = 24 ঘণ্টা) বাড়িয়ে 366 দিনে বছর ধরা হয়। এই বছরকে অধিবর্ষ বলে।
6.পথিবীর অপসূর অবস্থান (aphelion) কাকে বলে ?
Ans: পৃথিবীর উপবৃত্তাকার কক্ষপথে সূর্য একপ্রান্তে অবস্থান করে বলে পরিক্রমণের সময় পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব সবসময় এক রকম থাকে না। পরিক্রমণের সময় 4 জুলাই সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব থাকে সবচেয়ে বেশি প্রায় 15 কোটি 20 লক্ষ কিলোমিটার। একে পৃথিবীর অপসূর অবস্থান বলে। অপসূর অবস্থানে গতিবেগ হ্রাস পায়।
7.পথিবীর অনুসূর অবস্থান (perihelion) কাকে বলে ?
Ans: পরিক্রমণের সময় 3 জানুয়ারি সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব থাকে সবচেয়ে কম প্রায় 14 কোটি 70 লক্ষ কিলোমিটার। একে পৃথিবীর অনুসূর অবস্থান বলে। অনুসূর অবস্থানে পৃথিবীর গতিবেগ বৃদ্ধি পায়।
8.নিশীথ সূর্য ও নিশীথ সূর্যের দেশ কাকে বলে ?
Ans: উত্তর মেরুতে একটানা 6 মাস দিনের সময় নরওয়ের উত্তর সীমান্তের হ্যামারফেস্ট (70°30′ উঃ অক্ষাংশ) বন্দর থেকে গভীর রাত্রিতেও আকাশে সূর্য দেখা যায়। একে ‘নিশীথ সূর্য’ বলে। নরওয়ের হ্যামারফেস্ট বন্দর ও তার আশেপাশের অঞ্চলসমূহকে ‘নিশীথ সূর্যের দেশ’ বলা হয়।
9.সুমেরু প্রভা ও কুমেরু প্রভা কাকে বলে ?
Ans: উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে একটানা 6 মাস রাত্রির সময় আকাশে মাঝে মাঝে রামধনুর মতো বর্ণময় আলোর জ্যোতি দেখা যায়। একে মেরুজ্যোতি বা অরোরা বলে। সুমেরু অঞ্চলে এরূপ জ্যোতিকে বলা হয় সুমেরু প্রভা বা অরোরা বোরিয়ালিস এবং কুমেরু অঞ্চলে এরূপ জ্যোতিকে বলা হয় কুমেরু প্রভা বা অরোরা অস্ট্রালিস।

10.সূর্যের দৈনিক আপাত গতি কাকে বলে ?
Ans: আমরা জানি সূর্য স্থির। পৃথিবী তার অক্ষের চারপাশে পশ্চিম থেকে পূর্বে আবর্তন করে ফলে প্রতিদিন আমরা সূর্যকে পূর্ব দিকে উদয় হতে এবং পশ্চিম দিকে অস্ত যেতে দেখি। ফলে আপাত দৃষ্টিতে আমাদের মনে হয় সূর্যই পূর্ব থেকে পশ্চিমে ঘোরে সূর্যের পূর্ব থেকে পশ্চিমের দিকে আপাত এই ঘোরাকে সূর্যের দৈনিক আপাত গতি বলে।
11.ছায়াবৃত্ত কাকে বলে?
Ans: পৃথিবীর পশ্চিম থেকে পূর্বে আবর্তনের সময় পৃথিবীর যে অংশ সূর্যের সামনে আসে তখন সেই দিকে দিন এবং বিপরীত দিকে রাত হয়।এই আবর্তনের ফলে দিনো রাত্রে সীমানা যে বৃত্তাকার সীমারেখায় মিলিত হয় তাকে ছায়াবৃত্ত বলে।
12.রবিমার্গ কাকে বলে?
রবিমার্গ শব্দের অর্থ ‘সূর্যের পথ’। পৃথিবীর পরিক্রমণ গতির ফলে উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়ন সময়কালে সূর্য আকাশে যে বার্ষিক আপাত গতিপথে উত্তরে কর্কটক্রান্তি রেখা এবং দক্ষিণ গোলার্ধে মকরক্রান্তি রেখার মধ্যে চলাচল করে। তাকে রবিমার্গ বলে।
3 Marks Questions
1.আবর্তন গতি ও পরিক্রমণ গতির মধ্যে পার্থক্য লেখ।
2.আবর্তন গতির ফলাফল আলোচনা কর।
3.আবর্তন গতি আমরা অনুভব করতে পারি না কেন?
4.কর্কট সংক্রান্তি ও মকর সংক্রান্তির তিনটি পার্থক্য লেখ।
5.সূর্যের আপাত বার্ষিক গতির ব্যাখ্যা দাও।
5 Marks Questions
1.পৃথিবীর পরিক্রমণ গতির ফলাফল চিত্রসহ ব্যাখ্যা কর
2.চিত্রসহ পৃথিবীর ঋতু চক্রের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও।
3.চিত্রসহ পৃথিবীর অনুসূর ও অপসূর অবস্থান ব্যাখ্যা কর।
4.চিত্রসহ দিনরাত্রি দৈর্ঘ্যের হ্রাস বৃদ্ধি বর্ণনা দাও।