ভারতের খনিজ ও শক্তি সম্পদ: সম্পূর্ণ নোট ও ৩০টি MCQ (PDF) | WebBhugol
“WebBhugol.com-এ আপনাদের সকলকে স্বাগত। আজকের ব্লগের মূল বিষয়—‘১. খনিজ সম্পদ: প্রাথমিক ধারণা ভারতের খনিজ ও শক্তি সম্পদ (Mineral and Energy Resources of India)’। ভূগোল সিলেবাসের এই অধ্যায়টি ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি তো বটেই, এমনকি WBCS, WBSSC, Rail, TET Group-C, Group-D , PSC–সহ যেকোনো সরকারি চাকরির প্রস্তুতির মেরুদণ্ড। বিগত কয়েক বছরের বিভিন্ন প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ করে, এবং আগামী পরীক্ষার কথা মাথায় রেখে আমরা এই পোস্টটি সাজিয়েছি। এখানে আপনারা খনিজ ও শক্তি সম্পদ বিষয়ক লেটেস্ট আপডেট এবং বিস্তারিত তথ্য একনজরে পাবেন, যা আপনাদের প্রস্তুতিকে আরও একধাপ এগিয়ে দেবে।”
প্রকৃতিতে খনি থেকে প্রাপ্ত অজৈব পদার্থ, যার নির্দিষ্ট রাসায়নিক সংযুক্তি ও পারমাণবিক গঠন আছে, তাকে খনিজ দ্রব্য বলে।
- আকরিক (Ore): যে শিলা থেকে লাভজনকভাবে ধাতু নিষ্কাশন করা যায়।
- খনিজ ভাণ্ডার: ভারতের উপদ্বীপীয় মালভূমি অঞ্চল খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ।
- লুণ্ঠন শিল্প: খনিজ সম্পদ উত্তোলনের ফলে খনির সঞ্চয় কমে যায় বলে একে ‘লুণ্ঠন শিল্প’ বা ‘ডাকাত শিল্প’ বলা হয়।
খনিজ দ্রব্যের শ্রেণিবিভাগ
| খনিজের প্রকার | উদাহরণ |
| লৌহবর্গীয় খনিজ | আকরিক লোহা |
| অলৌহবর্গীয় খনিজ | তামা, সোনা, বক্সাইট, দস্তা |
| লৌহ সংকর খনিজ | ম্যাঙ্গানিজ, ক্রোমিয়াম, নিকেল, টাংস্টেন |
| জ্বালানি খনিজ | কয়লা (কঠিন), খনিজ তেল (তরল), প্রাকৃতিক গ্যাস |
| পারমাণবিক খনিজ | ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম |
২. প্রধান ধাতব খনিজসমূহ (একনজরে)
ক) আকরিক লোহা (Iron Ore)
লোহা আধুনিক শিল্পসভ্যতার মেরুদণ্ড। ভারতে মূলত চার ধরণের আকরিক লোহা পাওয়া যায়।
- সর্বোৎকৃষ্ট আকরিক: ম্যাগনেটাইট (চৌম্বকত্ব গুণ আছে, একে ‘Black Ore’ বা প্রাকৃতিক চুম্বক বলে)।
- শিল্পে সর্বাধিক ব্যবহৃত: হেমাটাইট (ভারতে প্রাপ্ত আকরিকের প্রায় ৪০% হেমাটাইট)।
- নিকৃষ্টতম আকরিক: সিডেরাইট (আয়রন কার্বনেট)।
- প্রধান তথ্য:
- ভারতের বৃহত্তম লৌহখনি: বায়লাডিলা (ছত্তিশগড়)।
- বৃহত্তম ম্যাগনেটাইট খনি: কুদ্রেমুখ (কর্ণাটক)।
- উত্তোলনে প্রথম রাজ্য: ওড়িশা।
- বিশ্বে ভারতের স্থান: চতুর্থ।
- স্পঞ্জ আয়রন: বাতচুল্লিতে গলিয়ে প্রাপ্ত খণ্ড লোহাকে ‘পিগ আয়রন’ এবং গলে যাওয়া অপ্রয়োজনীয় অংশকে ‘ধাতুমল’ (Slag) বলে।
খ) ম্যাঙ্গানিজ (Manganese)
ম্যাঙ্গানিজ একটি লৌহ-সংকর ধাতু, যা মূলত ইস্পাত তৈরিতে কাজে লাগে।
- প্রধান আকরিক: পাইরোলুসাইট (সর্বোৎকৃষ্ট)।
- অন্যান্য আকরিক: ব্রোনাইট, সাইলোমেলেন। নিকৃষ্টতম হলো হোসম্যানাইট।
- ব্যবহার: ইস্পাত মজবুত করতে এবং ব্লিচিং পাউডার তৈরিতে। ম্যাঙ্গানিজ মিশ্রিত ইস্পাতকে ‘ফেরো-ম্যাঙ্গানিজ’ বলে।
- প্রধান তথ্য:
- বৃহত্তম খনি: বালাঘাট (মধ্যপ্রদেশ)।
- উত্তোলনে প্রথম রাজ্য: মধ্যপ্রদেশ।
- সংকর ধাতু: ‘ম্যাঙ্গানিন’ (তামা + ম্যাঙ্গানিজ + নিকেল)।
গ) বক্সাইট (Bauxite)
অ্যালুমিনিয়ামের প্রধান আকরিক হলো বক্সাইট। অ্যালুমিনিয়ামকে ‘বিংশ শতাব্দীর ধাতু’ বা ‘চ্যাম্পিয়ন মেটাল’ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত পাললিক শিলা এবং ভারহ্রাসমান ও ছিদ্রযুক্ত শিলা। ফ্রান্সের ‘লে বক্স’ (Le Baux) গ্রামের নামানুসারে এর নাম বক্সাইট।
- প্রধান তথ্য:
- ভারতের বৃহত্তম বক্সাইট খনি: পঞ্চপটমালি (কোরাপুট জেলা, ওড়িশা)।
- উত্তোলনে প্রথম রাজ্য: ওড়িশা।
- দ্রাবক: বক্সাইট থেকে অ্যালুমিনিয়াম নিষ্কাশনে ‘ক্রায়োলাইট’ ব্যবহার করা হয়।
ঘ) তামা (Copper)
তামা একটি অলৌহবর্গীয় ও অপুনর্ভব সম্পদ। বৈদ্যুতিক শিল্পে এর ব্যবহার সর্বাধিক।
- আকরিক: কিউপ্রাইট (সর্বোৎকৃষ্ট), চ্যালকোপাইরাইট (প্রধান), টেট্রাহেড্রাইট (নিকৃষ্ট)।
- প্রধান তথ্য:
- ভারতের বৃহত্তম তামা খনি: মালঞ্চখণ্ড (বালাঘাট, মধ্যপ্রদেশ)।
- উত্তোলনে প্রথম রাজ্য: মধ্যপ্রদেশ।
- অন্যান্য বিখ্যাত খনি: ক্ষেত্রী (রাজস্থান)।
- বিশ্বের তামার দেশ: চিলি (জাম্বিয়াকে আফ্রিকার তামার দেশ বলে)।
ঙ) অভ্র (Mica)
ভারত অভ্র উৎপাদনে বিশ্বে অগ্রগণ্য।
- শ্রেণিবিভাগ: মাসকোভাইট (শ্বেত বা রুবি অভ্র – এটিই সর্বোৎকৃষ্ট), বায়োটাইট (কালো অভ্র), ফ্লগোপাইট (নিকৃষ্ট)।
- প্রধান তথ্য:
- ভারতের বৃহত্তম অভ্র খনি / ‘Mica Capital of India’: কোডার্মা (ঝাড়খণ্ড)।
- উত্তোলনে প্রথম রাজ্য: অন্ধ্রপ্রদেশ।
- ব্যবহার: বৈদ্যুতিক সরঞ্জামে অন্তরক হিসেবে।

৩. ভারতের শক্তিসম্পদ (Energy Resources)
শক্তিসম্পদকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
- চিরাচরিত (Conventional): কয়লা, খনিজ তেল।
- অচিরাচরিত (Non-conventional): সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, ভূতাপীয় শক্তি।
ক) কয়লা (Coal)
কয়লাকে ‘কালো হিরে’ (Black Diamond) এবং এর উপজাত দ্রব্যের গুরুত্বের জন্য ‘শিল্পের রুটি’ বলা হয়। ভারতে গন্ডোয়ানা যুগের কয়লা (বিটুমিনাস জাতীয়) সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।
- কয়লার শ্রেণিবিভাগ:
- অ্যানথ্রাসাইট: সর্বোৎকৃষ্ট, কার্বনের পরিমাণ ৯০%-এর বেশি (ভারতে কেবল জম্মু-কাশ্মীরে পাওয়া যায়)।
- বিটুমিনাস: ভারতে সর্বাধিক ব্যবহৃত (তাপবিদ্যুৎ উৎপাদনে)।
- লিগনাইট: বাদামি কয়লা।
- পিট: নিকৃষ্টতম, কাঠ ও কয়লার মধ্যবর্তী অবস্থা।
- গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ভারতের বৃহত্তম কয়লাখনি: ঝরিয়া (ঝাড়খণ্ড)।
- ভারতের প্রাচীনতম কয়লাখনি: রানিগঞ্জ (পশ্চিমবঙ্গ)।
- উত্তোলনে প্রথম রাজ্য: ওড়িশা (২০২২-২৩ তথ্য অনুযায়ী)।
- বৃহত্তম লিগনাইট খনি: নেভেলি (তামিলনাড়ু)।
- র্যাট হোল মাইন (Rat Hole Mine): মেঘালয় ও রানিগঞ্জ এলাকায় ইঁদুরের গর্তের মতো অবৈধ কয়লা খনিকে র্যাট হোল মাইন বলে।
- কয়লা ধৌতাগার (Washery): কয়লার গুণমান বৃদ্ধির শোধনাগার। বৃহত্তম – গেভ্রা (ছত্তিশগড়)।
খ) খনিজ তেল (Petroleum)
খনিজ তেলকে ‘তরল সোনা’ (Liquid Gold) বলা হয়। এটি পাললিক শিলাস্তরে পাওয়া যায়। এর প্রধান উপাদান কার্বন ও হাইড্রোজেন।
- প্রধান তথ্য:
- ভারতের বৃহত্তম তেলখনি ও উৎপাদক অঞ্চল: মুম্বাই হাই (বম্বে হাই)।
- ভারতের প্রাচীনতম তৈলখনি: ডিগবয় (অসম)।
- বৃহত্তম তেল শোধনাগার: জামনগর (রিলায়েন্স, গুজরাট)।
- উত্তোলনে প্রথম রাজ্য: রাজস্থান (স্থলভাগে)।
- অনুসন্ধানকারী সংস্থা: ONGC (Oil and Natural Gas Corporation)। সদর দপ্তর – নতুন দিল্লি।
গ) প্রাকৃতিক গ্যাস ও পারমাণবিক শক্তি
- প্রাকৃতিক গ্যাস: প্রধান উপাদান মিথেন। ভারতের বৃহত্তম গ্যাস উত্তোলক অঞ্চল ‘মুম্বাই হাই বেসিন’। পরিবহণ ও প্রক্রিয়াকরণ করে GAIL।
- পারমাণবিক শক্তি:
- কাঁচামাল: ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম।
- ভারতের প্রথম কেন্দ্র: তারাপুর (মহারাষ্ট্র)।
- ভারতের বৃহত্তম কেন্দ্র: কুদানকুলাম (তামিলনাড়ু)।
আপনি যদি ভারতের নদনদী সম্পর্কে জানতে চান, তবে [Click Here]।”
৪. অচিরাচরিত বা নবীকরণযোগ্য শক্তি (Renewable Energy)
ভারতের খনিজ ও শক্তি সম্পদ বিষয়ের মধ্যে অন্যতম হলো পরিবেশ বান্ধব এবং ভবিষ্যতের শক্তির উৎস হলো অচিরাচরিত শক্তি।
| শক্তির উৎস | প্রধান তথ্য |
| সৌরশক্তি | • ভারতের বৃহত্তম সোলার পার্ক: ভাদলা (রাজস্থান)। • উৎপাদনে প্রথম রাজ্য: রাজস্থান। • ১০০% সৌরচালিত কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল: দিউ। |
| বায়ুশক্তি | • ভারতের বৃহত্তম বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র: মুপান্ডাল (তামিলনাড়ু)। • উৎপাদনে প্রথম রাজ্য: গুজরাট। |
| ভূতাপীয় শক্তি | • উৎস: উষ্ণ প্রস্রবণ। ভারতের প্রথম প্রকল্প: পুগা উপত্যকা (লাদাখ)। |
| জৈব গ্যাস | • উৎপাদনে প্রথম রাজ্য: মহারাষ্ট্র। • এশিয়ার বৃহত্তম গোবর গ্যাস প্ল্যান্ট: গোসাবা (সুন্দরবন)। |
🎓ভারতের খনিজ ও শক্তি সম্পদ: ৩২টি গুরুত্বপূর্ণ MCQ (মক টেস্ট)
Indian Minerals and Energy Resources MCQ for Competitive Exams
🚀 চলো যাচাই করি 👉 ভারতের খনিজ ও শক্তি সম্পদ (Mock Test – 30 Marks)
সঠিক উত্তরটিতে ক্লিক করো এবং ব্যাখ্যা দেখে নাও।
খনিজ সম্পদ ব্যবহারের ফলে নিঃশেষ হয়ে যায় এবং পুনরায় সৃষ্টি করা যায় না।
এতে লোহার ভাগ সর্বাধিক (প্রায় ৭০-৭২%) এবং এটি চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয়।
ভারতের মোট সঞ্চিত আকরিক লোহার অধিকাংশ হলো হেমাটাইট প্রকৃতির।
নিম্নমানের কার্বন ও অতিরিক্ত জলীয় বাষ্পের জন্য এর রঙ বাদামি হয়।
ঝাড়খণ্ডের ঝরিয়া হলো ভারতের বৃহত্তম এবং প্রধান কোক কয়লা ভাণ্ডার।
ইস্পাত শিল্পে অপরিহার্য এবং বহুবিধ ব্যবহারের জন্য একে এই নাম দেওয়া হয়েছে।
১৮৮৯ সালে এখানে প্রথম তেল উত্তোলন শুরু হয়।
ঝাড়খণ্ডের কোডার্মাতে বিশ্বের সর্বাধিক উন্নতমানের অভ্র পাওয়া যায়।
ওড়িশার লৌহ আকরিক এই বন্দরের মাধ্যমে জাপানে রপ্তানি হয়।
১৭৭৪ সালে পশ্চিমবঙ্গের রানিগঞ্জে প্রথম কয়লা উত্তোলন শুরু হয়।
ভারতে উৎপাদিত কয়লার প্রায় ৭০% তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়।
এর অত্যধিক অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও মূল্যের জন্য একে তরল সোনা বা কালো সোনা বলা হয়।
কিউপ্রাইটে তামার পরিমাণ প্রায় ৮৮%, যা সর্বাধিক।
এটি ভারতের বৃহত্তম উন্মুক্ত তামার খনি।
এটি সমুদ্রের উষ্ণতাকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়া।
গুজরাটের জামনগরে অবস্থিত রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের শোধনাগারটি বৃহত্তম।
বর্তমানে ONGC-এর রেজিস্টার্ড অফিস এবং সদর দপ্তর নতুন দিল্লিতে অবস্থিত।
এখানকার লোহা বিশাখাপত্তনম বন্দর দিয়ে জাপানে রপ্তানি হয়।
রাজস্থানের ভাদলা সোলার পার্ক বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম সৌর উদ্যান।
মহারাষ্ট্রের তারাপুরে ভারতের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হয়।
এটি ম্যাঙ্গানিজের প্রধান বাণিজ্যিক আকরিক।
তামিলনাড়ুর নেভেলিতে ভারতের অধিকাংশ লিগনাইট কয়লা উত্তোলিত হয়।
গেইল (GAIL) হলো ভারতের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ ও বিতরণ সংস্থা।
ঐতিহাসিকভাবে তামিলনাড়ু বায়ুশক্তিতে শীর্ষস্থানীয় (সম্প্রতি গুজরাটও সমতুল্য অবস্থানে আছে)।
ভারতের কেরালা উপকূলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ থোরিয়ামের ভাণ্ডার রয়েছে।
শিল্প ও অর্থনীতিতে কয়লার অসামান্য অবদানের জন্য একে কালো হিরে বলা হয়।
সিংভূম জেলার জাদুগোড়ায় ভারতের প্রথম ইউরেনিয়াম খনি অবস্থিত।
কয়লা, খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস হলো প্রচলিত বা অনবিকরণযোগ্য শক্তি।
ম্যাঙ্গানিন তৈরিতে তামা, ম্যাঙ্গানিজ ও নিকেল লাগে, কিন্তু দস্তা লাগে না।
ভারতের ওড়িশা রাজ্যে সর্বাধিক আকরিক লোহা সঞ্চিত আছে।
ভারতের খনিজ ও শক্তি সম্পদ ভারতের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। ২০৭০ সালের মধ্যে ভারত সৌরশক্তিতে স্বয়ম্ভর হয়ে 'জিরো কার্বন' দেশ হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে। ছাত্রছাত্রীরা উপরের তথ্যগুলো চার্ট করে পড়লে মনে রাখতে সুবিধা হবে।
নিয়মিত আপডেটের জন্য Webbhugol.com ভিজিট করুন।
ভারতের ভূগোল (Indian Geography)
- ভারতের ভূ-গঠন (Physiography of India)
- ভারতের জলবায়ু (Climate of India)
- ভারতের মৃত্তিকা (Soils of India)
FAQ
Q: ভারতের বৃহত্তম কয়লা খনি কোনটি?
A: ভারতের বৃহত্তম কয়লা খনি হলো ঝাড়খণ্ডের ঝরিয়া।
Q: তরল সোনা কাকে বলা হয়?
A: খনিজ তেল বা পেট্রোলিয়ামকে এর অর্থনৈতিক গুরুত্বের জন্য 'তরল সোনা' বলা হয়।
Q: ভারতের বৃহত্তম সৌরশক্তি পার্ক কোনটি?
A: রাজস্থানের ভাদলা (Bhadla) সোলার পার্ক হলো ভারতের বৃহত্তম সৌরশক্তি কেন্দ্র।
Q. 'Mica Capital of India' নামে পরিচিত-
A:কোডার্মা
